যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে এল আরো ৫৬ হাজার ৮৯০ টন গম

বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় সরকারি পর্যায়ে (জি-টু-জি ২) আমদানীকৃত গমের প্রথম চালান দেশে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় সরকারি পর্যায়ে (জি-টু-জি ২) আমদানীকৃত গমের প্রথম চালান দেশে পৌঁছেছে। ৫৬ হাজার ৮৯০ টন গম নিয়ে ‘এমভি ইভিটা’ নামের জাহাজটি গতকাল চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে ভিড়েছে। দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আলোকে নগদ ক্রয় চুক্তির অধীনে এ গম আমদানি করা হয়েছে।

গতকাল খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এরই মধ্যে সরকার টু সরকার (জি-টু-জি) ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি কার্যক্রম শুরু করেছে। এ চুক্তির আওতায় মোট ২ লাখ ২০ হাজার টন গম আমদানি করা হবে, যার প্রথম চালানে ৫৬ হাজার ৮৯০ টন গম দেশে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৩৪ হাজার ১৩৪ টন চট্টগ্রামে আর অবশিষ্ট ২২ হাজার ৭৫৬ টন মোংলা বন্দরে খালাস করা হবে। জাহাজে রক্ষিত গমের নমুনা পরীক্ষার কার্যক্রম এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। পরীক্ষা শেষে দ্রুত এ গম খালাসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর আগে জি-টু-জি ওয়ান চুক্তির আওতায় মোট ২ লাখ ২০ হাজার টন গম আমদানি হয়েছে।

এর আগে আরেক চুক্তিতে (জি-টু-জি১) এরই মধ্যে ২ লাখ ২০ হাজার টন গম আমদানি সম্পন্ন হয়েছে। দুই চুক্তি অনুসারে মোট ৪ লাখ ৪০ হাজার টন গম যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা হবে।

এদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পহেলা জুলাই থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৫৩৪ দশমিক ৫১ হাজার টন গম আমদানি করা হয়েছে। সরকারিভাবে ২৮৯ দশমিক ৬০ টন ও বেসরকারিভাবে ৩ হাজার ২৪৪ দশমিক ৯১ টন গম আমদানি করে সরকার। এসব গম যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে আমদানি করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ১২ মাসে মোট ৬ হাজার ২৩৫ দশমিক ৩৮ হাজার টন গম আমদানি করেছিল সরকার। এছাড়া সরকারি সংরক্ষণাগারে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত গম মজুদ আছে ১ লাখ ৮২ হাজার ২৪৫ টন এবং ফ্লোটিং মজুদ আছে ৫৬ হাজার ৮৯১ টন।

আরও